দিকের কাছে কিসের প্রশ্ন
|| মৌ মধুবন্তী ||
হাতিটা বসে আছে বনের কিনারে। বনটা বড় নাকি হাতি?ক্যামেরা হাতে সে ভাবছে, কেন হাতিটা চুপচাপ? তার মনের ভেতর কি চিন্তা চলছে? মানুষ কেন হাতির ভাষা বোঝে না? তার পাশেই তো বড় একটা উইলো গাছ।গাছ কি কথা বলছে? মাথা নেড়ে নেড়ে গাছ কাকে ডাকছে? ক্যামেরাকে নাকি হাতিকে স্বান্তনা দিচ্ছে। হাতির কিসের ব্যথা গাছ বুঝি বুঝতে পেরেছে? প্রশ্নের ঝড়ে গাছের পাতা উড়ে যাচ্ছে হাইওয়ের এপাশ থেকে ওপাশে, কিন্তু প্রশ্নের উত্তর নিয়ে কোন পাতা ফিরে আসছে না। মানুষ চলে গেলে আর ফিরে আসে না। চলে গেলেন বাংলা সাহিত্যের এক পরমানন্দ কবি , জলবায়ু, কবি, কবি পার্থসারথী বসু। ক্ষেপচুরিয়াসে যে ছিল আমার কাছে পার্থ, তুই।কফি ও কবিতায় দেখা হতেই দেখলাম সে তুইটা কি এক প্রাজ্ঞ ব্যক্তিত্ব। কফি ও কবিতার বাইরে সেই উইলো গাছকে আমি পার্থ বলেই ডাকতাম আর তুই করেই আমার আলাপ চলতো। শেষ কথাটি ছিল ইদৃশ!
তুমুল হাসির পর ক’দিন তাকে ইদৃশ বলেই ডেকেছি। এমনি মানুষ কবিতার প্রাণভোমরার এই চলে যাওয়ায় করোনার কাছে প্রশ্ন, করোনা তুই কি তার কবিতার শব্দগুলো গিলে খেয়েছিস? তবে তো তুইও কবি হয়ে যাবি। করোনা নিয়ে লিখব না আর কোন কবিতা… নিঃসীমের চরাচরে কোন বন কি আছে যে তাকে দেবে নিবিড় ছায়া, ভালোবাসার মায়া, কিংবা কবিতার অসংখ্য কৌরবোজ্জ্বল শব্দ! হাতির ছবিটা তুলে সে চলে গেলো হাইওয়ের দিকে।
বাতাস ও বেঁকে গেলো…
৯/২২/২০২০, টরন্টো/কানাডা/পৃথিবী

Comments
Post a Comment